Blog Closed!

Image Courtesy: Locks and Strings by Daily Dose of Imagery

Posted in Uncategorized | মন্তব্য দিন

আমি তোমার জন্য আশায় আকাশ ভরিয়ে দেবো…

Kichui to holona…

Posted in Uncategorized | 2 টি মন্তব্য

শোনো কোনদিন…

in-the-railtrack.jpg 

শোনো কোনদিন এ ধূসর শহর-প্রান্তরে এক ভ্রাম্যমান স্বপ্নযান রেলপথ ধরে আসবে

সেই নীল নীলিমায় পৃথিবীর শেষ স্টেশনে এক স্বপ্নদূত আগন্তুক তোমার প্রতীক্ষায় থাকবে

তুমি তার হাত ধরে

এই শহরের ঠিকানার দিকে ক্লান্ত মহাসড়ক দেখিও

তার দুইহাতে স্বপ্ন

তার দুইচোখে কখনও কোন আলো নেই কোনদিনও যদিও

তুমি তাকে তার সেই পথের হদিশ দেখালে

সে একসময় ঠিক তোমায় বিদায়-ধন্যবাদ জানাবে

তুমি বিদায় জানিয়ে দেখো সেই অন্ধ আগন্তুক

তার আগামী পদক্ষেপগুলি কুড়িয়ে এগিয়ে যায়

তুমি লংরুট কোন বাস ধরে ধূসর শহরে ফিরো

যেখানে দূষিত দীর্ঘশ্বাস যেখানে রঙও বিবর্ণ

যেখানে বর্ণ-অন্ধ সব যেখানে আকাশেরও নেই নীল

যেখানে রঙীন টিভির স্ক্রীন, বিজ্ঞাপণ

যেখানে সাদা-কালো গতকাল যেখানে ধূসর বর্তমান

যেখানে গোপনে রংবদল অবিরাম

তুমি সে রাতে স্বপ্নে দেখবে সেই অন্ধদূত

ক্যানভাসে স্বপ্নজাল রামধনূ রঙে আঁকছে

পরদিন তুমি দেখো এ শহরে রঙ ফিরেছে

সেই স্বপ্নযান ভ্রাম্যমান সবার জন্য রঙ এনেছে

শোনো কোনদিন এ ধূসর শহর-প্রান্তরে এক ভ্রাম্যমান স্বপ্নযান রেলপথ ধরে আসবে

সেই নীল নীলিমায় পৃথিবীর শেষ স্টেশনে এক স্বপ্নদূত আগন্তুক তোমার প্রতীক্ষায় থাকবে

 

Posted in poems | 4 টি মন্তব্য

বিজ্ঞাপণ-বিরতি

 নিজেকে বিজ্ঞাপিত করার কোন ইচ্ছে প্রকাশ করে নয়, এই ছোট্ট লেখাটি শুধুমাত্র আমি যে নিয়মটি চালু করেছিলাম, যে একটি পাতায় একটি কবিতা থাকবে এবং একটি গদ্য, তার ধারাবাহিকতা যেনতেনপ্রকারেন চালিয়ে যাওয়ার জন্যই লেখা। বিজ্ঞাপণ-বিরতির সময় দর্শকেরা যেমন ইতিউতি তাকান, ঘুরে আসেন, আপনিও এ লেখা উল্টে চলে যেতে পারেন।

শব্দ বুনে চলেছি শুধু। প্রতিটি শব্দে ঠিকানা লেখা থাকে, প্রতিটি শব্দে মায়া মাখানো থাকে। কিন্তু শব্দ তো, আলোর মত নয়; আলো যেমন সরল রেখায় চলবেই, বাধা হয়ে দাঁড়ালে ফেলবে ছায়ার প্রত্যাখ্যান, শব্দ তেমন নয়, একে বেঁকে এদিক-ওদিক যায়, তাই শব্দে যার ঠিকানা লেখা থাকে তার কাছে ছাড়াও অন্যত্র পৌঁছে যেতে পারে উৎসাহী কুকুর-ছানার মত। তাই কোথায় কোথায় যে আমার শব্দে ধরা মায়া পৌঁছে যাচ্ছে আমার জানার কথা নয়।

আবার শব্দ অনেকটা আলোর মতও। এই ওয়েবলগে একটি কবিতায় যেমন বলেছিলাম – “রাতের আকাশে যে তারা সবচেম্রিয়মান, হয়তো সে মৃত, সে আলো তবু তো বর্তমান” অর্থাৎ যে তারাটি এখন কোনমতে টিমটিম করছে আকাশে, সে তো অনেক অনেক আলোকবর্ষ দূরে, হয়তো সে মৃত তবু তার শেষ আলোকবিন্দুগুলো এখনও তোমার চোখে পৌঁছনো শেষ করেনি। তাই তুমি যখন ভাবছো যে সে আছে, আছে ওই তো, জ্বলছে বহাল তবিয়তে, সে হয়তো ততক্ষণে মৃত। যখন শেষ আলোর রশ্মিটি এসে তোমার চোখে জমা হবে, তার পরমূহূর্তে বুঝবে যে সে নেই, ছিলোনা বেশকিছুদিন। এখন সেই মৃত তারাকে চিহ্নিতও করা যাচ্ছেনা, কারণ অন্ধকারের কোন শরীর হয়না।

সেভাবেই কোন কোন শব্দ তার মায়া নিয়ে কোন চোখে যখন হাজির হল, তখন হয়তো মায়ার উৎসমুখ অন্ধকার হয়ে গেছে

Posted in Uncategorized | মন্তব্য দিন

এইসব কবিতা প্রসঙ্গে…

আমি জানিনা কতদিন ধরে চালাতে পারবো এই বাংলা ব্লগটিকে। শারিরীক পরিশ্রমের একটি মাত্রা তো আছেই, কারণ সবে আমি বাংলা টাইপ করতে আরম্ভ করেছি, হাত এখনো সাবলীল নয় ততো। তাছাড়া একজন কোড-নিরক্ষর মানুষকে অনেকক্ষণ লড়তে হয় তারপর লেখাটিকে ওয়েবের পাতায় দৃষ্টিগোচর করতে। যেমন আগের কবিতাটিতেই প্রতিটি লাইনের মধ্যেখানে যে অতিরিক্ত স্পেস, তা সামলাতে পারলাম না অনেক লড়ে। এইবার আমার কোড-দুঃস্বপ্ন দেখাই বাকি মাঝরাতে

তাছাড়া আমি খুব পদ্যজীবনে নেই আর। গড়পড়তা বাঙালি ছেলের মতই শুধুমাত্র দুরকম পরিস্থিতিতে কবিতা লিখেছি, হয় প্রেমে পড়ে নয় বিপ্লবের স্বপ্নে। দ্বিতীয়টি দীর্ঘদিন দেখিনা এবং ঠিক করেছি যে বিপ্লব-বিপনীতে অংশগ্রহন না করেই সে সব কবিতা আমি এখানেও প্রকাশ করবোনা। তাই রইলো পড়ে প্রেম, যা নিয়ে বিশদে বলতে রাজি নই এখানে (কিংবা জেনে রাখবেন বললেও মিথ্যে কথা বলছি)। তবে প্রসঙ্গটি এইজন্যই আসে যে যখনই প্রেমের যবণিকা পতন হয়েছে জীবনে, সেইসব নারীরা আমার কবিতার খাতাগুলি নিয়ে চলে গেছেন এবং আর ফেরত দেননি। এইভাবে গত দশ বছরে লেখা কবিতাগুলি আমার কাছে নেই আর। গৃহিনীপণার অভাবে কোন কপিও রাখতামনা (আর প্রেমে পড়লে অবশ্যই কবিতার খাতা দিয়ে দিতাম)। সে সব কাব্যপ্রচেষ্টা কোথাও আছে জেনেই ভালো লাগে, আমার কবিতাগুলি ভালো আছে কিনা, তাদের শরীর ও মন কেমন আছে এখন জানিনা, তবে আছেএবং আমি এজন্য লিখছিনা যে ফিরৎ চাহিসেসব। প্রাক্তন প্রেমিকারা ব্লগ পড়েননা (যদিও একজনের ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটি দিয়ে বড় ভুল করেছি), সম্ভাব্যরা পড়তে পারেন এবং সেক্ষেত্রে জীবনে নতুন নিয়ম তৈরী করেছি, যাতে ক্ষীণকায় হলেও কবিতার খাতা আর না হারাতে হয়। নিয়মটি এই নয় যে কবিতার খাতা আর দেবনা, আমি ওরকম অমানুষ অথবা বিশ্রী প্রেমিক নই, নিয়মটি হল এই যে তার বা তাদের সাথে আর হাত বাড়ালেই বন্ধু‘-র নৈকট্যে আসবোনা। অতএব আমার কবিতাও হারাবেনা আর, খাতা দিতে গেলে তো একহাত দূরত্বে থাকতেই হয়

Posted in Uncategorized | ১ টি মন্তব্য

কিছু গল্প শোনাও

child-angels.jpg

 

শোনাও কিছু গল্প তোমার ছেলেবেলার শুনি

শোনাও কিছু গল্প তোমার ছোট্টবেলার শুনি

কিছু গল্প শোনাও

যে বছরগুলো তোমার সাথে থাকিনি

তার বেশ কিছুটা সময় মনে পুষবো বলে ভেবেছি

কিছু গল্প শোনাও

 

এই শহরের ধুলোয় ঢাকা সংখ্যালঘু গাছে

পাতায় পাতায় গল্প তোমার ছোট্টবেলার আছে

পাতা ঝরার সময় সেসব গল্প কোথায় থাকে?

নতুন ফোঁটা পাতার কাছে

পরম্পরায় যত্নে থাকে শীতবদলের মাঝে

সেই গল্প শোনাও

 

ওদের কাছে চেয়েছিলাম সেই গল্পগুলোর কিছু

যা তফাৎ!’ বলে ওরা সবাই পাল্টে দিলো ঋতু

ফুল-পাখি-গাছ এই শীতে আজ সেই ছোট্ট তোমায় চেনে

যে চেনেনা সেই একটি ছেলে

হন্যে হল এই শহরে সেই নাবালিকার খোঁজে

সেই গল্প কোথায়?

 

তুমি তোমার আত্মজীবন সাজিয়ে নেবে যখন

রূপকথাতে পরিণত তোমার অতীতকথন

আমার কাছে ছোট্ট তুমি পদ্য হয়েই থাকুক

সেই বালিকা সেই কিশোরী

পাল্টে যাওয়া মন আর শরীর

একই রকম সে মুখ

তার গল্প শোনাও

 

আর ছন্দবদল বয়সবদল

পাল্টে যাওয়া সুরের চলন

সেই ছেলের কাছে থাকুক

এক কুড়ি সাত বয়স হওয়ার

স্বপ্নে পাওয়া বাদল হাওয়ার

গদ্যজীবন লেখাই আছে

এই শহরের সব দেওয়ালে

সেই উপন্যাসের আগের

কিছু গল্প শোনাও

Posted in poems | মন্তব্য দিন

নন্দিনী

The Silhouette Girl 

নন্দিনী তোমাকে সেখানে নিয়ে যাবে

যেখানে শহর শেষ শেষ নাগরিক দিন

নন্দিনী তোমাকে আঁচলে বেঁধে নেবে

তার শরীর অশরীরি ঘুমগান শোনাবে

তারপর সে তোমার খোলস ছাড়ালে

তুমি হয়তো শিহরিত মুক্ত শৃঙখলহীন

 

যদি তোমার দুচোখে জল আসে

আর বিবেকে মেঘ ভাসে

যদি তুমি বলো তাকে তোমার হৃদয়ে

এক বিন্দুও প্রেম বেঁচে নেই

 

নন্দিনী তোমার চুলে মৃত সন্তানকে খুঁজবে

তোমার অস্ফুট মার্জনা বাতাসে হারাবে

আর মাঝরাতের মালগাড়ি বলবে চিরকালই

তুমিই ছিলে তার প্রেমিক

 

সেই ব্রাত্য মেয়ে তার পাগলাটে ঘুমগান

প্রান্তিক জীবন রক্তকরবী মন

সেই পাগলী যে তার উন্মাদ মন দিয়ে

ছুঁয়েছে তোমার শরীর

 

তুমি ঈশ্বর খুঁজেছিলে তুমি যখন তাকে পেলে

তুমি দেখলে তাঁর দেহ রেললাইনে দ্বিখন্ড

তুমি সাম্য খুঁজেছিলে তুমি যখন তাকে পেলে

তুমি দেখলে রেললাইনে রক্তিম শতখন্ড

তুমি প্রেম খুঁজেছিলে তুমি যখন প্রেম পেলে

তুমি দেখলে সে প্রেম বাকরূদ্ধ দৃষ্টিহীন

 

আর যখন দুচোখে জল এলো

তোমার বয়সের বাঁধ ভেঙে

যখন আদালতে জীবনের জন্যে

কোন কৌশলই আর বাকি নেই

 

নন্দিনী রাতের ছাঁদে পূর্ণিমায় সিল্যুয়েটে

নগরে দেহাতি কোন গান বুনে চলে

তুমি তার কোলে ক্লান্ত সফর শেষ করলে

সে বলবে তুমিই তার প্রেমিক

 

তুমি তখন যদি বলো গড়পড়তা বেঁচে থাকা

এখনও ভালো লাগে

তুমি তখন যদি বলো ওষুধের কড়া গন্ধ

এই উন্মাদ-আলিঙ্গনে

 

সেই ব্রাত্য মেয়ে তার পাগলাটে ঘুমগানে

অন্তিম ঘুমের সুর জ্বরের দুপুর

সে ভাষার অতীত এক সময়ের স্বাদ নিয়ে

ছোঁবেই তোমার শরীর

 

হয়তো কোনদিনও তুমি তাকে কোনও

নিরপরাধ পাগলিনীর সেলে পেতে পারো

আর মাঝরাতের মালগাড়ি বলবে চিরকালই

তুমিই ছিলে তার প্রেমিক

Posted in poems | ১ টি মন্তব্য